একদিকে রাষ্ট্র বিপরীতে রাষ্ট্রদ্রোহী প্রগতিশীল মুখ
একদিকে রাষ্ট্র। বিপরীতে রাষ্ট্রদ্রোহী তথাকথিত প্রগতিশীলেরা। এই প্রগতিশীলেরা আসলে প্রগতি বলতে বোঝে মৌলবাদী তোষণ, বিশেষত ইসলামি মৌলবাদীদের যতরকমভাবে তোয়াজ তোষণ সম্ভব এরা সেটাই করে। পূর্বাপর ইতিহাস তার সাক্ষী। এদের মগজে মার্কসের উচ্ছিষ্ট কম বয়সেই ভরে দেয়া হয়। রাষ্ট্রবিরোধীদের মূল ভিত কংগ্রেসের কালচার। লুণ্ঠন করো। খাও ঔর খানে দো।তুম ভি খাও, ঔর মুঝে খানে দো। রাষ্ট্রদ্রোহীদের মূল অ্যাজেন্ডাই হলো, রাষ্ট্রে অস্থিরতা তৈরি করো, নৈরাজ্য তৈরি করো। এই অস্থিরতা তৈরির জন্য চাই উদ্ভট ছেলেছোকরার দল। কেননা, কমবয়সীদের সহজে উত্তেজিত করা যায়। সামনে ঠেলে দেওয়া যায়। এরা ভালো-মন্দ, সত্য-অসত্যর ঊর্ধ্বে। বয়সটাই অমন। উত্তেজনা, আবেগ আর দিবাস্বপ্ন...। ফলত, রক্ত দিতে ও নিতে এদের ব্যবহার করে অস্থিরতাবাদী, রাজনৈতিক আতঙ্কবাদীরা। এরাই এখন জেন-জি রূপ ধারণ করে বাংলাদেশে নেপালে বা অন্যত্র নানা অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে। পাগলকরা আবেগ ছাড়া মূল পুঁজি কিছুই নেই। পেছনে রয়েছে এক অপশক্তি। যারা শান্তি সমৃদ্ধি প্রগতি বিকাশ আনন্দ কিছুই চায় না। এরা নিয়ত মারমুখী, প্রতিবাদী, তথাকথিত বিপ্লবী, দাঙ্গাবাজ, অসুখী, সবকথায় বাগড়া দেওয়াপ্রবণ হয়। এরা জীবনে কোনো কিছুই মেনে নিতে পারে না। এদের পেছনেই থাকে বড় বড় বিষাক্ত মাথা। যারা বিদেশের উচ্ছিষ্ট খেয়ে ভারতে চোয়া ঢেঁকুর তোলে। পাত্থরবাজি, হরতাল, ট্রেনবাসে আগুন, দোকানপাট ভাংচুর, লুট, মানুষকে ভড়কানো, উত্তেজনা ছড়ানো, প্রতিবাদের নামে সরকারি বেসরকারি সম্পদ ধ্বংস~সব কিছুই করতে সিদ্ধহস্ত ওরা।
এবার ভেবে দেখুন, ওরা কারা? সামনে গণতন্ত্র। পেছনে নৈরাজ্যতন্ত্র। নির্দিষ্ট অ্যাজেন্ডা আছে। অনুমান করা যায়, বাইরের শক্তি এদের পেছনে রয়েছে। যারা অর্থ দেয়। সেই টাকায় দেশে দেশে অভ্যন্তরীণ অশান্তি তৈরি হয়।
ওয়াংচুককে এই শক্তিই ব্যবহার করছে, যেমন করছিল কেজরিবালকে। আপনি লক্ষ করুন, কারা এরা? টুকরে-টুকরে গ্যাং নয় তো? কী চায় এরা? একটাই উত্তর : অশান্তি। কেজরিবালের শোচনীয় পতনের পর এরাই নতুন রূপে মাঠে নেমেছে। নাম : ককরোচ পার্টি! নামেই নিকৃষ্ট মানসিকতা প্রতিফলিত। ঘরে কেউ ককরোচ বা আরশোলা পোষে না। নানা উপায়ে থ্যাঁতলে মারে। কেননা আরশোলা অপকারী। অথচ ঘরে লক্ষ্মী ব্যাং, টিকটিকি, প্রজাপতি, জোনাকি পোকা, চডুই কত কী আশ্রয় নেয়। কেউ তা নিয়ে ভাবে না। যা জীবনের জন্য পরিবেশের জন্য অপকারী তাদের বিনাশই কাম্য। রাষ্ট্রবিনাশী যারা, তাদের ধ্বংস কল্যাণকামী রাষ্ট্রবাদীরা চাইবেই।
সিদ্ধান্ত এখন আপনার হাতে। অমৃত নেবেন, না বিষ নেবেন! "সার্থক জনম আমার জন্মেছি এই দেশে", " ও আমার দেশের মাটি, তোমার 'পরে ঠেকাই মাথা","সকল দেশের রানি সে যে আমার জন্মভূমি" গাইবেন, নাকি "ভারত কি বরবাদি তক জং রহেগি' শুনবেন!! ~বিচার আপনার।
•••
প্রশান্ত চক্রবর্তী
১৭-৭-২৬
Comments
Post a Comment