স্ত্রীর লাশ কাঁধে করে ১০ মিলিমিটার স্বামীর সঙ্গী ছিলেন ছোট কন্যা, সে আজ ডাক্তার

একটি অভূতপূর্ব ঘটনা। আজ থেকে ঠিক দশ বছর আগে হাসপাতাল থেকে বউয়ের লাশ বয়ে আনার জন্য যে অসহায় দিনমজুর লোকটা সামান্য ভ্যান ভাড়া জোগাড় করতে না পারেননি, স্ত্রীর মৃতদেহ কাঁধে নিয়ে ১০ কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে গ্রামে ফিরেছিলেন, পাশে ফুঁপিয়ে কাঁদতে কাঁদতে হাঁটছিল তাঁর ১২ বছরের ছোট্ট মেয়ে, সেই ছবিটি আনন্দবাজারে বেরোতেই বাকরুদ্ধ হয়ে গিয়েছিলেন গোটা দেশের মানুষ।
ওড়িশার কালাহান্ডির সেই ছবিটা হয়তো এখনও বহু লোকের মনে আছে। হ্যাঁ, সেই দানা মাঝির ছোট্ট মেয়ে চাঁদনী মাঝি, আজ সমস্ত অভাব, কষ্ট আর নিয়তির নির্মম পরিহাসকে হারিয়ে ডাক্তার হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছে! এমবিবিএস ডাক্তার। 
যে ছোট্ট মেয়েটি একদিন মায়ের লাশ কাঁধে নিয়ে বাবার পাশে পাশে হাঁটছিল, আজ সে নিজেই অন্য মানুষের প্রাণ বাঁচানোর শপথ নিচ্ছে। এর চেয়ে বড় মিরাকল আর কী হতে পারে! 
চাঁদনী, তোমাকে কুর্নিশ! তুমি শুধু তোমার বাবার মুখ উজ্জ্বল করোনি, গোটা দেশের গর্ব হয়ে উঠেছ। বন্ধুরা ওর জন্য প্রার্থনা করবেন যাতে ও আরও বড় হতে পারে। আর বাকি বন্ধুরাও যাতে এটা জানতে পারে সে জন্য পারলে শেয়ার করে দেবেন। 
--- সিদ্ধার্থ সিংহ

Comments

Popular posts from this blog

বিশ্বে আজ বিশ্বকবি রবীন্দ্রাথ নাথ ঠাকুরের ১৬৫ তম জন্মজয়ন্তী উদযাপিত

মহালয়ার পবিত্র তিথিতে" নয়া ঠাহর "শারদ সংখ্যা প্রকাশিত হল কান্দি থেকে

অসমের বিশিষ্ট সাংবাদিক কুন্তল চক্রবর্তী চলে গেলেন