ভারতকে টুকরো টুকরো করার দেশ বিরোধী আন্দোলনে সামিল হয়েছে একাংশ ছাত্র
ছাত্র এরা!!!শুধুই ছাত্র আন্দোলন! ভারতকে টুকরো টুকরো করার চক্রান্ত
কী এই ককরোচ জনতা পার্টি ও সোনম ওয়াংচুক!
মানস বন্দ্যোপাধ্যায়
((ভাইস প্রেসিডেন্ট অফ
প্রেস ক্লাব অফ সাউথ এশিয়া))
অবিকল বাংলাদেশের ছক। একটি কোটা আন্দোলনকে হাইজ্যাক করে বাংলাদেশে শেখ হাসিনার সরকারকে ফেলে দেওয়ার আমেরিকার ডিপ স্টেটের চক্রান্তের মতো ঘটনা। ডিপ স্টেটের দালাল মহম্মদ ইউনুসকে দিয়ে কয়েক কোটি ডলার খরচ করে একটি নির্বাচিত সরকারকে ফেলে দিয়ে আমেরিকার কাঠ পুতলি সরকার গঠন হয়েছিল।
নেপাল, শ্রীলঙ্কা,মায়ানমারে ও একই ঘটনা ঘটিয়েছিল জর্জ সোরসের ডিপ স্টেট। একটু ভালো করে লক্ষ্য করলে সমস্ত চিত্র স্পস্ট হয়ে যাবে। উত্তর প্রদেশের নির্বাচনকে উপেক্ষা করে রাহুল গান্ধী আমেরিকা গেলেন। লাদাখের ইঞ্জিনিয়ার সোনম ওয়াংচুক কয়েকমাস আগেই পাকিস্তানও বাংলাদেশ সফর করে এলেন। একই সময়ে আমেরিকা থেকে অভিজিৎ দীপকে সহ ৪ জন ভারতে এলেন। তড়িঘড়ি একটি দল গঠন করা হয়েছে," ককরোচ জনতা পার্টি"। ভারতে সংস্কার মূলক কাজ করতে চায়।
ঢাকা থেকে ওয়াংচুক দেশে ফিরেই প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করে অনশনে বসলেন।
তাকে সমর্থন জানিয়ে অনশনে বসেন কক রোচ জনতা পার্টির সদস্যরা ও বিরোধী বাম দল, আম আদমি পার্টি,কংগ্রেস, তৃণমুল কংগ্রেস।
ছাত্র আন্দোলনের নামে পুলিশের ওপর আক্রমণ, পুলিশের একডজন গাড়ি ভাঙচুর হলো। উন্মত্ত এই জমায়েত পুলিশের ব্যারিকেট ভেঙে পার্লামেন্টে দখল করতে উদ্যত হয়েছিল। পুলিস পাল্টা জবাব দিতে বাধ্য হয়ে দেশের সুরক্ষার স্বার্থে
ইস্যু ছিল সরকারি পরীক্ষার পেপার লিক, কিন্তু কি করে সেই ইস্যু যে কাশ্মীর কে বিচ্ছিন্ন করার ইস্যুতে পরিণত হলো মানুষ বুঝতে অসুবিধে হয় না। ইস্যু ছিল ছাত্রদের ভবিষ্যৎ নিয়ে কিন্তু সেই ইস্যু গিয়ে দাঁড়ালো সনাতন ধর্মকে অপমান করার পর্যায়ে, ইস্যু ছিল দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার কিন্তু দিনশেষে সেই ইস্যু পরিণত হলো ভগবান শ্রী রামচন্দ্রের অপমানে - তারা স্লোগান তুলল 'শ্রীরাম কা নাম নেহি বলেঙ্গে; ঠিক আছে শ্রী রামের নাম বলার জন্য কেউ তাদের ওপর জোর করেনি আর তাছাড়া ওই মঞ্চটা শ্রী রামের জয়গান গাওয়ার মঞ্চ ছিল না। সরকারি পরীক্ষার আইনি বা নীতিগত লড়াইয়ের বিতর্ক বদলে বিতর্কটি সনাতন ধর্ম বনাম অন্য আদর্শের লড়াইয়ে পরিণত করা হল। গাওয়া হল পাকিস্তানি কবি ফয়েজ আহমেদ ফয়েজের "লাজিম হ্যায় কি হাম ভি দেখেঙ্গে" যার মধ্যে 'বাস নাম রাহেগা আল্লাহ কা' লাইনটি রয়েছে। তাহলে মানুষ মেইন ইস্যু ছেড়ে তোমাদের দেশের এই সংস্কৃতি বিরোধী এজেন্ডার সঙ্গে কেন থাকবে? যেখানে জেনেশুনে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করা হবে সনাতন ধর্মকে অপমানের জন্য টার্গেট করা হবে।
অর্থাৎ দেখা যাচ্ছে অনশনের ইস্যু থেকে আয়োজক পার্টি সম্পূর্ণ ১৮০° ইউটার্ন করে মঞ্চটা দেশের বিচ্ছিন্নতাবাদী টুকড়ে টুকড়ে আজাদী গ্যাংয়ের মঞ্চে পরিণত করেছে।
দিল্লি হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী দিল্লী পুলিশ অত্যন্ত দায়িত্বপূর্ণভাবে মৃত্যু পথযাত্রী সোনম ওয়াংচুক কে চিকিৎসার জন্য হসপিটালে নিয়ে গেল। কিন্তু যারা তাকে অনশনের জন্য উৎসাহিত করছিল আসলে তার শারীরিক পরিস্থিতির নিয়ে তাদের কোন হেলদোল ছিল না। বাম অতিবাম আরবান নকশালরা সোনম ওয়াংচুকের লাশের উপর দিয়ে রাজনৈতিক রুটি সেঁকতে চেয়েছিল। কিন্তু দিল্লী পুলিশ দেশের এই নামকরা ইঞ্জিনিয়ার কে বাঁচিয়ে দিয়ে আজ অত্যন্ত মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো। ধন্যবাদ দিল্লি পুলিশকে!
কোন পেপার লিকের জন্য ওখানে মঞ্চ করা হয়নি। ষড়যন্ত্র অনেক গভীরে। ওখানে উপস্থিত অনেকেই তা জানে না।
এরা বাঙলাতে শিক্ষকরা যখন অনশনে বসেছিলেন পাশে ছিলনা,, তৃনমুলের দুর্নীতির বিরুদ্ধে মুখ বন্ধ ছিল বিশাল মারের ভয়ে, আবার এরা গর্ত থেকে বেরিয়েছে!!!!এদের আসল উদ্যেশ্য হলো দেশের মধ্যে অস্থিরতা সৃষ্টি করা!!!
এগুলো শুধুই আন্দোলন না, একটা স্থিতিশীল দেশ কে অস্থিতিশীল করার চক্রান্ত, ঠিক একদম যেমনটা বাংলাদেশে হয়েছিল দুই বছর আগে যুব সমাজ আন্দোলনে নেমেছিল, তারপর দেশ বর্তমানে কখনো আমেরিকার হাতে কখনো চীনের হাতের পুতুল হয়ে গেছে।
বিদেশী টাকায় ভারতে অশান্তি লাগানো র চক্রান্ত। জেন z আর তাদের অভিভাবকেরা খুব গভীর ভাবে খতিয়ে দেখুন,আপনার বাড়ির ছেলেটি, মেয়েটি তাদের অজান্তেই দেশবিরোধী অপশক্তির হাতের পুতুল হয়ে যাচ্ছে না তো!!!!
এটা কি ছাত্র আন্দোলন না ভারত বিরোধী আন্দোলন?... আপনাদের মনে হচ্ছে না বিদেশি টাকার জোরে এরা ভারতকে শেষ করতে চাইছে। এখন ঘরে বসে হাত তালি দিচ্ছেন, জানবেন এই আগুন থেকে আপনিও রেহাই পাবেন না।
এখানে একজনও নিট ছাত্র ও তাঁর পরিবার নেই গ্যারান্টি দিতে পারি। এখানে যারা আছে তারা উমর খালিদ, টুকরে টুকরে গ্যাং আর বাবা মার অবাঞ্চিত সন্তানের দল। এতদিন #VandeBharatExpress ট্রেনের পর এখন ভারতের গর্ব নতুন হাইড্রোজেন ট্রেনও আক্রমণের শিকার হলো।
দিল্লির যন্তর মন্তরে আসার পথে স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা হাইড্রোজেন ট্রেনটিকে লক্ষ্য করে ককরোচেরা কাশ্মীরের পাথরবাজদের মতো পাথর ছুঁড়েছে। এটা দেশ প্রেমের নমুনা!
সোমবার নয়াদিল্লির জনপথ এলাকায় 'চলো সংসদ' কর্মসূচিকে ঘিরে বিক্ষোভ চলাকালীন দিল্লি পুলিশের একাধিক গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সংসদের দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করলে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ বাধে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং সেই সময় ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে।
কয়েকটি ছবি দিলাম। পুলিশের ওপর আক্রমণ নিয়ে মিডিয়া নীরব। ডিপ স্টেট কোটি কোটি ডলার খরচ করেছে, তার কিছু অংশ মিডিয়া, কিছু সেলিব্রিটির কাছেও পৌঁছেছে। অবিকল বাংলাদেশে মহম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন শেখ হাসিনার সরকারকে ফেলে দেওয়ার ছকের মতো একটি ছাত্র আন্দোলনকে হাইজ্যাক করে মোদী সরকারকে ফেলে দেওয়ার চক্রান্ত।
অভিজিৎ দীপকে সহ চার কক রোচ আমেরিকা থেকে এসে হঠাৎ এতো বেশি প্রচার পেলো কী করে? ভাবুন""" একবার ভেবে দেখুন।
Comments
Post a Comment