গুয়াহাটি রাণী বনাঞ্চলে ঘুম ভাঙ্গার গান
অমল গুপ্ত ,১২ জুলাই , গুয়াহাটি রাণী সংরক্ষিত বনাঞ্চল তখনও কুয়াশার সাদা চাদরে ঢাকা, কলকাতা - সাই রঙ এক্সপ্রেস ভোর পাঁচটা নাগাদ কামাখ্য স্টেশন থেকে আমার কটেজ রাণী সংরক্ষিত বনাঞ্চল শুরু ,পাহাড় চাবাগানে অদ্ভুত মেল বন্ধন। পাখিদের অভয়ারণ্য দিপার বিল শুরু ১৫,২০ কিলোমিটার জুড়ে জলাশয় শেষে বাম দিকে শিলং পাহাড় জঙ্গল ডান দিক অসম বিএসএফ ক্যাম্প , কেন্দ্রীয় সরকারের কৃষি গবেষণা ক্ষেত্র, পর্যটক দের গেস্ট হাউস সব নিয়ে ২০ -৩০ কিলোমিটার;জুড়ে রাণী সংরক্ষিত বনাঞ্চল হাতিদের করিডর ,এই জঙ্গলে শকুন প্রতিপালন করা হচ্ছে।প্রায় ২০০ টি শকুন আছে। প্রধানমন্ত্রী অসমের হারগিলা পাখিদের কথা উল্লেখ করেছেন তার ,'মন কি বাত ' কিন্তু অসমের রাণী জমলে শকুন প্রতিপালন কথা উল্লেখ করেন নি। সারা দেশে শকুন প্রায় নিশ্বেস হয়ে যাচ্ছে।পথে ঘাটে মরা খেয়ে আবর্জনা সাফ করে প্রায় ৫০০ শকুন আজ অস্তিত্বের সংকটে। সমাজের ঝাড়ুদার আজ ধ্বংশ হয়ে যাচ্ছে। বিষাক্ত মাংস খেয়ে মারা পড়ছে। অসম বন বিভাগ ও কেন্দ্রীয় বন পরিবেশ এবং ব্রিটেনের দুটি এন জি ও যৌথ উদ্যেগে শকুন প্রতিপালন চলছে।প্রধান মন্ত্রী সম্ভবত খবর পান নি।। পূজোর মরশুমে আবার এলাম পাহাড়ে বুনো জঙ্গল কাশ ফুল দেখলাম না। কলকাতা মিজোরাম গামী নতুন টেন আগে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন দেখেছিলেম। এবার দেখলাম মেঝেতে জল ভরে গেছে। আপরিষ্কার পরিবেশ। জল বেরোবার প্রযুক্তি চেঞ্জ করে হয়েছে।পো দিয়ে চাপ দিলে জল বেরোবে। গতকাল কলকাতা , সাই রঙ এক্সপ্রেসের কাচ এম টু
এসি কোচ ইকনমিক ক্লাস ভাড়া বহু বেশি। ট্রেনে গতি আছে। সব ঠিক টয়লেট গিয়ে মনখারাপ গেল।। মুর্শিদাবাদ বাসী আধুনিক ট্রেন পেলো। যাত্রী সাধারণের সচেতনতা জরুরি। সব দোষ রেলের ঘাড়ে চাপানো ঠিক নয়।
Comments
Post a Comment