সাংবাদিক ও প্রাক্তন পুর পতি কে আক্রমণের প্রতিবাদ বি ডি ফের
নয়া ঠাহর , শিলচর
করিমগঞ্জে সাংবাদিক ও প্রাক্তন পুরপতির উপর দুষ্কৃতীদের হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে পুলিশ প্রশাসনকে কঠোর ব্যবস্থা নেবার দাবি জানাল বিডিএফ।
করিমগঞ্জে সম্প্রতি একদল দুষ্কৃতীর তীব্র শারীরিক হামলার শিকার হয়েছেন প্রাক্তন পুরপতি সুখেন্দু বিকাশ পাল ও সাংবাদিক রাহুল চক্রবর্তী। রাহুল চক্রবর্তীর চোখের অবস্থা এখনও গুরুতর। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবি জানাল বরাক ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট।
এক প্রেস বার্তায় বিডিএফ মুখ্য আহ্বায়ক প্রদীপ দত্তরায় বলেন যে সুখেন্দু বিকাশ পাল করিমগঞ্জের বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ তথা সমাজকর্মী। একই ভাবে রাহুল চক্রবর্তীও একনিষ্ঠ সংবাদকর্মী,বহুদিন ধরে সাংবাদিকতার সাথে যুক্ত রয়েছেন। তাই এই দুই ব্যাক্তির উপর এই ধরনের নির্সংস হামলা সুস্থ সমাজের কাছে এক অশনিসংকেত। এই ধরনের প্রবনতাকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা পুলিশ প্রশাসনের অবশ্যকর্তব্য। কিন্তু শোনা যাচ্ছে যে পুলিশ দুষ্কৃতীদের গ্রেফতার করলেও চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে ছেড়ে দিয়েছে। প্রদীপ দত্তরায় বলেন যে এটাকে প্রশাসনিক ব্যার্থতা অথবা ইচ্ছাকৃত অবহেলা বলেই অভিহিত করতে হবে। তিনি বলেন যে যদি প্রশাসন ভাবেন যে ঘটনাকে এইভাবে ধামাচাপা দেওয়া যাবে তবে তাঁরা অবশ্যই ভুল ভাবছেন। একজন সমাজকর্মী ও সাংবাদিকের নিগ্রহের প্রতিবাদে সারা বরাক জুড়ে আন্দোলন হবে। তাই আগে থেকেই প্রশাসনকে সক্রিয় ও নিরপেক্ষ ভূমিকা পালনের দাবি জানিয়েছেন তিনি।
প্রদীপ দত্তরায় এদিন আরো বলেন যে ইদানিং এই উপত্যকায় সাংবাদিকদের নিগ্রহের ঘটনা ক্রমাগত বাড়ছে যা উদ্বেগজনক। এমনিতেই সংবাদ মাধ্যমের সামগ্রিক নিরপেক্ষতা বর্তমানে প্রশ্নের মুখে। তাঁর মধ্যে এই উপত্যকার যেসব সাংবাদিকরা এখনও বিবেকবান , যাঁরা এখনো নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশন করে চলেছেন,এই প্রবনতার বিরুদ্ধে আপামর জনসাধারণকে রুখে না দাঁড়ালে তাও বন্ধ হবে। তাই নিরপেক্ষ সংবাদ প্রচার ও প্রসারের স্বার্থে অবিলম্বে বরাকের সমস্ত শুভবুদ্ধিসম্পন্ন নাগরিকদের এগিয়ে আসতে হবে, এই ঘটনায় দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবিতে সোচ্চার হতে হবে।
বিডিএফ মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক জয়দীপ ভট্টাচার্য এক প্রেস বার্তায় এই খবর জানিয়েছেন।
Comments
Post a Comment