অমল গুপ্ত :বিবিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে : বিশ্ব পরিবেশ দিবসের ভাবনা , চিন্তা ভাবনা নেই রাজনীতিবিদ দের ,শুধুই লুট আর লুট

 ৫জুন বিশ্ব জুড়ে উদযাপিত হচ্ছে বিশ্ব পরিবেশ দিবস। দেশের সুযোগ সন্ধানী অসৎ রাজনীতিবিদ ,  সমাজ বিরোধী দের   ব্যক্তিগত   আকাশ সমান  লোভ     দেশের  জল জঙ্গল পরিবেশ কে গ্রাস করেছে।  পশ্চিমবঙ্গের  ২৬ টি ছোট বড় প্রায় ১১০০  কিলোমিটার টি নদীর বালি চুরি করে নেওয়া হয়েছে। ২৬ টি পাহাড় বেশিভাগ উত্তরবঙ্গ অঞ্চলে সব পাহাড় পাথরর কেটে ধ্বংস করা হয়েছে। পরিবেশ ভারসাম্য রক্ষায় ৩৩ শতাংশ বনভূমি থেকে দরকার বঙ্গে আছে মাত্র ,১৩ শতাংশ। কাগজে কলমে ১৬ শতাংশ।  জল দূষণ এক নম্বর পশ্চিমবঙ্গ ,পবিত্র গঙ্গা  দূষিত ,উপনদী সব দূষিত ,  কলকাতার পথে ঘাটে আবর্জনা  দেশকে টেক্কা দেবে। নর্দমা পয় প্রণালী  থেকে দূষণ ছড়াচ্ছে  টয়লেট  থেকে দুর্গন্ধ ছড়ায়। কলকাতার মেরুদণ্ডহীন প্রাণীরা  সব অন্যায় অবিচার মেনে নেয়। শুধু প্রতিবেশী রাজ্য অসম  মেঘালয়ের সঙ্গে তুলনা করা দেখুন  , গত ১৫ বছর তৃণমূল তার আগে  বাম    ফ্রন্ট ৩০ বছর  বাংলার ব্যবসা বাণিজ্য  শিল্প ধ্বংস হয়ে গেছে। রাজ্যের লাখ লাখ শ্রমিক  বাইয়ের রাজ্যে কর্মসংস্থানের তাগিদে  যাচ্ছে।  রাজ্যে পালা বদল ঘটেছে। বাঙালি জাতির অধঃপতন    ঠেকানো যাবে না।বাঙালি সততা মূল্যবোধ সব শেষ। মদ বিরিয়ানি প্রধান খাদ্য , দুর্নীতি ছাড়া বাঙালি বাঁচবে  না। কলকাতায় যে পরিমাণ জল দূষণ জল অপচয় হয় তুলনা মেলা  ভার। পুর্ব কলকাতা ।বিশাল জলাশয়  বেদখল হয়ে গেছে। পুর্ব কলকাতার  জলাশয়  ইরানের  রামসার সাইট হিসাবে অনুমোদিত। ইরানে বিশ্বের  জলাশয়  সংরক্ষণ নিয়ে বিশ্ব সম্মিলনে পূর্ব কলকাতার নাম উঠেছিল।আজ তৃণমূল আগে বাম জমানায় ধ্বংশ হয়ে গেছে।  বিশ্ব পরি,বেশ দিবসে মন্ত্রী নেতা ভাষন দেবে  ।বাহবা নেবে  গাছ লাগাবেন।পরদিন থেকে গাছগুলি  শুকাতে শুরু করবে এক ফোঁটা জল দেবে না। গাছের প্রাণ আছে সেবা যত্নের প্রয়োজন আছে। সকালে নেতা মন্ত্রী খবর নেবে খবরের কাগজ নাম উঠেছে কিনা টিভি তে  ছবি উঠেছে কিনা।লাগানো গাছটি মরে ভূত হয়ে গেছে।    কলকাতার বাঙালি আশপাশের আবর্জনার সঙ্গে থাকতে ভালবাসে। বাঙালির  চরিত্র গড়ে উঠেনি।   দেশের  তিন হাজার কিলোমিটার পবিত্র গঙ্গা আজ দূষিত  ভূগর্ভের জল ফুরিয়ে  যাচ্ছে। করোনা   কালে গঙ্গা নদীতে হাজার হাজার মৃতদেহ ফেলা হয়। আজও সংক্রমণ ছড়াচ্ছে। রাজধানী দিল্লির কলঙ্ক  যমুনা  , রাজধানীর পরিবেশ বিনষ্ট করেছে। আমরা ভারতবাসী পরিবেশ সচেতন নই,জল  সংরক্ষণ বালাই নেই। গাছ লাগাই না শুধু কাটি। পরিবেশ নিয়ে ভাবনা চিন্তা নেই। দেশের অন্যতম স্বাধীনতা সংগ্রামী বিপ্লবী পান্না লাল দাশগুপ্ত   পরিবেশ সারক্ষণ নিয়ে কাজ করতেন। তিনি এই প্রতিবেদক কে এক সাক্ষাৎকারে দিয়েছিলেন।এক সেমিনারে  সিনিয়র নাগরিকদের কাছে প্রশ্ন  ছুঁড়ে দিয়ে বলেন বড়রা তোমরা জবাব দাও গাছে ফুল নেই কেন? ,ফল নেই কেন , পুকুরে মাছ নেই কেন।পরিবেশ প্রকৃতি ধ্বংশ মূলে তিনি মানুষের আকাশ  সমান লোভ কে  দায়ী করেন।  নদী মাতৃক অসমের কাছে তার পরামর্শ ছিল অসমের নদীর পাশে উর্বর জমি তে হেলিকপ্টার করে   বীজ  ছড়ানো হোক।   অসম সবুজ হয়ে উঠবে।

Comments

Popular posts from this blog

বিশ্বে আজ বিশ্বকবি রবীন্দ্রাথ নাথ ঠাকুরের ১৬৫ তম জন্মজয়ন্তী উদযাপিত

মহালয়ার পবিত্র তিথিতে" নয়া ঠাহর "শারদ সংখ্যা প্রকাশিত হল কান্দি থেকে

অসমের বিশিষ্ট সাংবাদিক কুন্তল চক্রবর্তী চলে গেলেন