দিল্লিতে বাঙালি ছাত্রী খুন ,কৃষ্ণনগরে ক্ষুদে কে জলে ডুবিয়ে হত্যা
দেবস্মিতা খুন সম্পত্তির টানে, ধৃত বর্ধমান-দম্পতি
ট্রেনে দিল্লি গিয়েছিলেন। সঙ্গে নিয়েছিলেন নাবালক ছেলেকে। কাজ সেরে ফেরেনও ট্রেনে। তবে শেষ রক্ষা হল না। দিল্লিতে শিবাজি কলেজের ইংরেজির অধ্যাপক দেবস্মিতা পালকে খুনের অভিযোগে গ্ৰেফতার হলেন বর্ধমানের দম্পতি। রবিবার বর্ধমানের বাদামতলায় দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পরে, রামপ্রসাদ দাস ও বনশ্রী দাস নামে ওই দু'জনকে গ্ৰেফতার করে দিল্লি পুলিশ। সম্পত্তি হাতানোর লক্ষ্যেই প্রায় দেড় হাজার কিলোমিটার দূরে গিয়ে দেবস্মিতাকে খুন করে তাঁরা বর্ধমানে ফিরে আসেন বলে পুলিশের প্রাথমিক অনুমান।
খুদেকে বালতিতে মুখ চুবিয়ে খুন, ধৃত দুই ছাত্রী
মুখ জলের বালতিতে ডোবানো। দু'হাতের কজ্বিতে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কাটার চিহ্ন। আবাসিক স্কুলের শৌচাগারে বছরের ছয়েকের শিশুর দেহ মিলেছিল এই অবস্থায়। খুদে মুয়েটিকে এমন নৃশংস ভাবে কে বা কারা খুন করল, ধন্দে পড়েছিল পুলিশ। তবে সিসিটিভি ফুটেজ দেখে তারা নিশ্চিত হয়, খুনি বাইরের কেউ নয়। নদিয়ায় ওই হস্টেলের আবাসিকদের জিজ্ঞাসাবাদ করে, নবম শ্রেণির দুই ছাত্রীকে গ্ৰেফতার করল পুলিশ।
কৃষ্ণনগর পুলিশ জেলার সুপার ওয়াই রঘুবংশী রবিবার বলেন, "ধৃত ছাত্রীরা হস্টেল থেকে মুক্ত হওয়ার পরিকল্পনা করছিল। তারা ভেবেছিল, এমন একটা কাজ করলে হস্টেলটাই বন্ধ হয়ে যাবে।" এ দিন ধৃত দুই নাবালিকাকে জুভেনাইল জাস্টিস বোর্ডে পাঠানো হলে, সরকারি হোমে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।
Comments
Post a Comment