অসমের জলে জঙ্গলে বসে পশ্চিমবঙ্গ জয়ের ইতিহাস রচনা হয়েছে
অমল গুপ্ত ১৬,মে ,কান্দি জেল রোড ,মুর্শিদাবাদ , ওয়েস্ট বেঙ্গল: বিশ্বাস করা যাবে না , আমিও বিশ্বাস করতে পারছি না।অসমের পাহাড়ি অঞ্চলে জলে জঙ্গলে একদিন বর্তমান ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এক কাপড়ে এসে বেশ কিছু বছর হিন্দু রাজনীতির পাঠ নিয়েছিলেন। অসমের সেই জঙ্গল পরিবেশ ভারতের রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের প্রধান মোহন ভাগবত এই মুহুর্তে বসবাস করছেন। রাজনীতির পাঠ নয়। হিন্দুত্ব বাদী সংগঠনগুলি কে পাশে নিয়ে সম্পর্ককে আরো মজবুত করে চলেছেন। গুয়াহাটি শহরে কেশব ভবন কলকাতার কেশব ভবন যাতায়াত করা নাগপুরের আর্দশে বিশ্বাসী সংগঠন গুলির লাখো সদস্য পশ্চিমবঙ্গ সরকার বদল করে দিল। কোনো ইজম নয়, মার্ক্সবাদ নয়, শুধু হিন্দুত্ববাদ সনাতন ধর্মের হয় সূচিত হয়ে। অসমে তৃতীয় বছর সনাতন ধর্মের জয় হল।পশ্চিমবঙ্গে ১৫ বছর তার আগে বামপন্থিদের ৩০ বছর ,৪৫-৫০ বছর পর হিন্দুত্ববাদী সনাতনী জোট বেঁধে ভাগ্য নির্ণয় করে। প্রতিবেশী বাংলদেশে বসে পশ্চিমবঙ্গ জয়ের কাউন্ট ডাওন শুরু হয়ে গিয়েছিল। ৪ মে ভোট জয়লাভ করে বাঙালি হিন্দু দের উপর অত্যাচার করার গভীর ষড়যন্ত্র আগেই রচনা হয়েছিল।আগাম আভাস পেয়েছিলেন সংঘ প্রধান মোহন ভাগবত। পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল পরাজয়ের আগে কলকাতা সফর করেন মোহন ভাগবত। এবার জয়ের পর হিসাবনিকাশ করতে অসম সফরে এলেন। আক্ষরিক অর্থে অসমের জলে জঙ্গলে সাবেক নওগাঁ জেলার হোজাই অঞ্চলের গ্রামীণ জনপদ মেঘালয় ,ত্রিপুরা, অসম ,মনিপুর বাংলদেশে সীমান্তবর্তী রাজ্যের উপজাতি গোষ্ঠীর প্রতিনিধি দের রুদ্ধদ্বার বৈঠক এ সামিল হবেন সংঘ প্রধান মোহন ভাগবত। এই প্রতিবেদক বছর দশেক আগে এক সম্মিলনে সামিল হওয়ার সৌভাগ্য হয়েছিল। সুদূর মহারাষ্ট্রের বেশ কয়েকজন মারাঠি ভাষী স্বয়ং সেবক বহু বছর থেকে অসম বঙ্গে হিন্দুত্ব বাদী সংগঠন করে আসছেন। তাদের অবদান লিখে শেষ করা যাবে না। গুয়াহাটি শহরে ৩৫-৪০ বছর সাংবাদিকতা করার সুবাদে তাদের সঙ্গে পরিচয় হয়েছিল। গুয়াহাটি শহরে সংঘ পরিবারের প্রাণ পুরুষ প্রাণ তোশ রায়ের হাত ধরে গুয়াহাটি কেশব ভবন যাতায়াত ছিল। সেই সুবাদে নিরামিষ ভোজী জীবনাদর্শের আত্মত্যাগ করা স্বয়ংসেবক দের ভূমিকা মুগ্ধ করেছিল।তাদের দেশপ্রেম দেশভক্তি পাঠ নিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রামকৃষ্ণ সেবাশ্রম থেকে তিনি জীবনের পাঠ নিয়েছেন। গুহাটিতে থাকতে দেখেছিলাম ত্রিপুরা ভোটে গুয়াহাটি থেকে হাজার দুয়েক গাড়ি করে সংঘ পরিবারের সদস্যরা আগরতলা গিয়েছিলেন উদ্দেশ্য সরকার বদল। ঠিক সেইভাবে চরম হিন্দু বিদ্বেষী দুর্নীতিপরায়ণ মদ মাতাল সরকারকে বদল করতে বেশি কষ্ট করতে হয় নি। নির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে কাজ করেছে। সবচেয়ে বেশি বিপদ ," চটি চাঁটা" সাংবাদিকদের তৃণমূল কে ক্ষমতায় আনতে মরণপণ লড়াই করেছে কোটি কোটি টাকা পকেটে পুরেও প্রভু কে রক্ষা করতে পারলো না। "ওই কমিউনিটি জোট বাঁধলে এক সেকেন্ড লাগবে না শেষ হয়ে যাবে।" প্রাক্তন দিদির এমন হিন্দু বিদ্বেষী মন্তব্য ফলে পরিবারের সদস্যদের কষ্ট অনেক কমে গেছে। জয় সহজ হয়েছে। ঘরের কন্যাকে যখন খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে হত্যা করা হয়।ক্ষতবিক্ষত শরীরে ৫৬ টি কামড় বসিয়ে নিষ্ঠুর ভাবে করে সব প্রমাণ লোপাট করা হয় তখন বুঝতে হবে পাপের ঘড়া পূর্ণ হয়েছে।
Comments
Post a Comment