তৃণমূল কংগ্রেস শিলচর বাঙালি হিন্দু শহীদদের মর্যাদা দেই নি বিজেপি দেবে
ভারতের সর্বকনিষ্ঠ বাংলাভাষা শহীদ কমলা ভট্টাচার্য নয়া ঠাহর , সংবাদদাতা:১৭মে, শিলচর: অমল গুপ্ত ,কলকাতা :১৯৬১ সালের ১৯ মে ভারতের আসাম রাজ্যের বরাক উপত্যকায় মাতৃভাষা বাংলার অধিকার রক্ষার দাবিতে পরিচালিত শিলচর ভাষা আন্দোলন-এর ইতিহাসে একটি রক্তাক্ত ও ঐতিহাসিক দিন। এই দিনে অসমীয়া ভাষাকে রাজ্যের একমাত্র সরকারি ভাষা করার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে শিলচর রেলওয়ে স্টেশনে আধা-সামরিক বাহিনীর গুলিতে ১১ জন বাঙালি শহীদ হন। ৬৫ বছর আগের পূর্বপাকিস্তান। ভাষা শহীদ পাঁচ জন বাঙালি মুসলিম যুবক কে মর্যাদা দিতে তৃণমূল সরকার বহু অনুষ্ঠান করেছে। একবারও ১৯৬১ সালের ১১ জন হিন্দু বাঙালি যুবক বাংলা ভাষার দাবিতে বরাক এ প্রাণ আহুতি দেন। স্কুলের ছোট্ট মেয়ে কমলা ভট্টাচার্য পুলিশের সামনে বুক চিতিয়ে বাংলা ভাষার দাবি জানিয়ে শহীদ হন।কলকাতা বাসী সেই শহীদ মেয়েটির নাম শোনেননি ।তৃণমূল শুনতে দেইনি। কারণ ১১ জন যুবক বাঙালি হিন্দু ।সেই তাদের অপরাধ। ভাষা শহীদ বাংলা ভাষার দাবিতে শহীদ।এর মধ্যে তৃণমূল ধর্ম । নামে দ্বিচারিতা করেছে। এই অপরাধ ক্ষমা করা যায়না।১৯৮৩ সালে অসমের নেলি বিশ্ব
মো কাঁপানো গন হত্যার সুবিচার আজও হয়নি। ঠিক অসমের বরাক উপত্যকার শিলচর শহরে রেল স্টেশন চত্বরে ১১জন বাংলা ভাষী হিন্দু যুবক এক জন যুবতী পুলিশের গুলিতে প্রাণ দেন।৬৫ বছর পরেও কেন্দ্রের ডাবল ইঞ্জিন বিজেপি সরকার বিচার দিলনা। শিলচর মানুষ বার বার শিলচর রেলস্টেশন কে ভাষা শহীদ স্টেশন হিসাবে নামকরণের দাবি জানিয়ে আসছে।বিজেপি সরকার বরাকের দাবির গুরুত্ব দেয়নি। এবার বাঙালি কয়েকজন জিতে এসেছে। তারা হিমন্ত বিশ্ব শর্মা সরকারের বিরোধিতা করে বাঙালির আবেগকে গুরুত্ব দেবে কি। তবে বাংলা ভাষার প্রতি বাঙালিদের অবহেলা আর মোবাইল প্রতি অসম্ভব প্রেম, আসক্ত
এই বাঙালি জাতকে ক্রমশ ধংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। কলকাতা, শিলচর গুয়াহাটি ইত্যাদি বড় শহরে ৯০ শতাংশ অভিভাবক তাদের সন্তানদের ইংরাজি মাধ্যম স্কুলে পাঠায়। বর্তমান বাঙালি যুব প্রজন্ম ভাষা শহীদ দের সম্পর্কে কিছুই জানেনা। মোবাইল ৮ থাকে ৮০ বয়সের হাতে ২৪ ঘণ্টা মোবাইল । সামাজিকতা , অতিথিপরায়ন , মানুষের পাশে দাঁড়ানো ।উপকার করা সব শেষ
মোবাইল আবিষ্কারক মার্টিন কুপার আক্ষেপ করে বলেছেন মোবাইল আবিষ্কার করে পাপ করেছি এরজন্যে বিশ্ব বাসীর কাছে ক্ষমা চেয়েছেন। বলছেন ৮ থেকে ৮০ সবার হাতের মুঠোয় মোবাইল ,যুব প্রজন্ম ধ্বংশ হয়ে যাচ্ছে। তাকে যেন ক্ষমা করা হয়।
Comments
Post a Comment