Posts

বামপন্থীরা কি হিন্দু বিরোধী ?

কমিউনিস্ট পার্টির বিশেষ আলোচনায় কমিউনিস্ট নেতা শ্রী পূরণ চাঁদ যোশীর বক্তব্য তুলে ধরা কর্তব্য। মুসলিম লীগ এবং পাকিস্তান প্রস্তাব সম্পর্কে যিনি স্পষ্টতই স্বীকার করেছিলেন: “আমরাই একমাত্র অমুসলিম সংগঠন, যারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে মুসলিম জনগণের নিজেদের সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলে সার্বভৌম রাষ্ট্র গঠনের দাবিকে মেনে নিয়েছি এবং তা জনগণের মধ্যে জনপ্রিয় করে তুলেছি। লীগ নেতৃত্ব আমাদের দলকে সন্দেহের চোখে দেখছে জেনেও, লীগের সংবাদপত্র আমাদের বিরুদ্ধে নানা অপপ্রচার চালায় জেনেও আমরা এই কাজ করেছি।”¹ ডাইরেক্ট একশন দিবসে যখন হিন্দুরা আক্রান্ত হচ্ছেন, সেই সময়ে মুসলিম জনতা রক্ষা করে চলেছেন কমিউনিস্ট নেতাদের। স্মৃতিতে থাকুক প্রথম সারির কমিউনিস্ট নেত্রী মনিকুন্তলা সেনের বক্তব্যগুলি: “....সুরাবর্দি ১৬ ই আগষ্ট ছুটি ঘােষণা করলেন এবং মুসলিমদের মিছিলে যােগ দেওয়ার নির্দেশ দিলেন।”²  “...আমাদের দল সি.পি.আই মিছিলে সামিল হওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।...”² “...মুসলিমরা ধুতি কুর্তা পরিহিত হিন্দু কমরেডদের রক্ষা করেন। কারণ তাঁরা জানতেন পার্টির কমরেডরা লিগের পাকিস্তানের দাবীকে সমর্থন করেন।”² ³ ১৯৬৪-তে কবি গোলাম মোস্তফা রচিত ‘ইসলাম ও ক...

বাঙালি তাদের অধিকার সঙ্গে আপোষ করবেন না

‎ভারতের আদমশুমারি/জনগণনা ২০২৭  নিয়ে       অসম নাগরিক মঞ্চের বিবৃতি। ‎ ‎      আসামের মাননীয় মূখ্যমন্ত্রী ড: হিমন্ত বিশ্বশর্মা গত ১৫ ই আগষ্ট স্বাধীনতা দিবসের তাঁর ভাষণে জনগণনা ২০২৭ নিয়েও বক্তব্য রাখেন। তাঁর ভাষণের এক জায়গায় তিনি উল্লেখ করেছেন যে, বরাক উপত্যকার জনগণ তাঁদের মাতৃভাষা বাংলা, হিন্দি বা যাঁর যে'টি মাতৃ ভাষা তাঁরা সেইটি লেখাবেন। কিন্তু তিনি আহ্বান করেন যে, ব্রহ্মপুত্র উপত্যকার বাঙালি, অন্যান্য জনজাতি এবং ভারত বর্ষের অন্যান্য প্রদেশ থেকে যাঁরা আসামে এসেছেন তাঁরা যেন অসমিয়া ভাষাকেই মাতৃভাষা হিসেবে জনগণনায় লিপি বদ্ধ করায়। তাঁর এই আহ্বান নিরপেক্ষতার পরিবর্তে পক্ষপাত তুষ্ট।  মুখ্যমন্ত্রী সংবিধানের নামে নিরপেক্ষ থাকার শপথ নিয়েও পক্ষপাত তুষ্ট বক্তব্য রাখায় অসম নাগরিক মঞ্চ উদ্বিগ্ন।অসম নাগরিক  মঞ্চ মনে করে তাঁর এই ভাষণ জনগণনার মূল উদ্দেশ্যের পরিপন্থী ও জনগণনা কে ভুলপথে পরিচালিত করার ইঙ্গিত । সাংবিধানিক উচ্চ পদে অধিষ্ঠিত প্রভাবশালী কোনো ব্যক্তির এই ধরনের বক্তব্য উদ্যেশ্য প্রণোদিত - রাজ্য বা দেশের সঠিক, সত্য তথ্য সংগ্রহ ও প্রকাশ ...

বরাকের শিলচর শহর থেকে শারদ সংখ্যা " উত্তীয় ' উত্তর পূর্বের" নয়া ঠাহর"ও

নয়া ঠাহর ,গুয়াহাটি ,শিলচর ,কলকাতা:  উত্তর পূর্বের  ২৩ তম বর্ষ বাংলা নিউজ পোর্টাল " নয়া ঠাহর" , আসন্ন  মহালয়া  শুভ তিথিতে কান্দি    থেকে  উন্মোচিত হবে। অপর দিকে  অসমের বরাক উপত্যকার শিলচর  শহর থেকে  আগামী ১৪  অক্টোবর    ,"উত্তীয় "  শারদ সংখ্যা উন্মোচিত হবে।   স্নিগ্ধা চট্টোপাধ্যায়  বিশ্বাস     সম্পাদিত এবং শবরি চৌধুরী  সহ সম্পাদনাতে    ত্রয়োদশ  সংখ্যায় বরাকের বিশিষ্ট  লেখকরা  কলম ধরেছেন।   শিলচর শ্যামা নন্দ   আশ্রম   রোড থেকে বেরোবে।।   এই অনুষ্ঠানে  নয়া ঠাহর    এর মোড়ক উন্মোচন করা হবে। উপস্থিতি থাকবেন।মুখা সম্পাদক ও।

চিন , তিব্বত,হিমবাহ ,ভূমিকম্প নতুন নতুন হ্রদ সৃষ্টি সমাহারে হরপা বিভীষিকা নেপালের বিপর্যয়

Image
অমল গুপ্ত ,২৮ আগস্ট ,গুয়াহাটি ,কলকাতা : প্রতিবেশী রাষ্ট্র নেপালের   ছয়টি জেলা  ত্রিশূলি রাসুয়া , ধুনচে, ঘিরে পাহাড়ি নদী,  পিছনে তিব্বত চিন  জমাট বাঁধা ভিমলল হিমবাহ  বরফ সঙ্গে তীব্র ভূমিকম্প কম্পন    পরিবেশ প্রকৃতি উষ্ণতা বৃদ্ধি  ,তাপমাত্রা   সীমা অতিক্রম করে জমাট বরফের হিমবাহ ভেঙে চুরমার ,চীনের  বাঁধ ভেঙে হিমবাহ ভেঙে চুরমার  ১৫ টি বিদ্যুৎ  কেন্দ্র ধ্বংস  হয়েগেছে।প্রচণ্ড গতি জলধারা বড় বড় হ্রদ সৃষ্টি  প্রচণ্ড বিস্ফোরণ কাদা মাটি  পাথর  বালির   ঘরবাড়ি জনপদ সব      ভয়ঙ্কর  আঘাত  ভয়ঙ্কর বিপদ  খড় কুটের মত সব ভেসে গেছে।হাজার হাজার মানুষের সলিল সমাধি ঘটেছে।   পরিবেশ প্রকৃতি ভারসাম্য রক্ষা করতে পারছে না।  অতিরিক্ত তাপমাত্রা   ভূমিকম্প ফলে জমাট বাঁধা   হিমবাহ  ফাটল দিচ্ছে।ভাঙছে।  বড় বড় হ্রদ  থেকে জল উপচে পড়ছে।জনপদ  ভাসছে। ভোটকেশী, ত্রিশুলি, ধোধিং নদী ভাসছে। হরপা বান সব ধুয়ে পুছে গেছে। সারা...

রাখি বন্ধন ও রবীন্দ্র নাথ

Image
*রাখিবন্ধন ও রবীন্দ্রনাথ :*   *নেপথ্যচিত্র...*  ••••  *ড. প্রশান্ত চক্রবর্তী*  •••• "রাখিবন্ধন" উৎসব এলে মনে পড়ে বঙ্গভঙ্গের প্রতিবাদে স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ রাখি নিয়ে পথে নেমেছিলেন। অখণ্ড বঙ্গ ও বাঙালিসত্তার বন্ধন অটুট করতে। ১৯০৫-এ লর্ড কার্জন বঙ্গদেশকে দুটুকরো করার সিদ্ধান্ত নেন। আসলে এই ভাগবাটোয়ারাটির অন্তরালে মূল মতলবটি ছিল বাঙালি হিন্দু-মুসলমানে আলাদা জাতিসত্তা উসকে দেয়া আর সেটার দৌলতে "ডিভাইড অ্যান্ড রুল" চালানো। পরবর্তীকালে ধর্মের নামে দেশভাগের বীজটি তখনই বপন করা হয়।     রবীন্দ্রনাথ অখণ্ড বাঙালি জাতিসত্তার কল্পনা করতেন। কিন্তু বাস্তবটি ছিল নিষ্ঠুর,নির্মম, নিদারুণ।     ১৯০৫-এর ২৭ সেপ্টেম্বর কবি সাবিত্রী লাইব্রেরির সভায় রাখিবন্ধনের আহ্বান জানালেন। ১১ অক্টোবর "বেঙ্গলি" পত্রিকায় বাংলা হরফে "রাখি সংক্রান্তির ব্যবস্থা" ঘোষিত হয় এভাবে~ "দিন : এই বৎসর ৩০শে আশ্বিন।    ১৬ই অক্টোবর। আগামী বৎসর হইতে আশ্বিনের সংক্রান্তি। ক্ষণ : সূর্য্যোদয় হইতে রাত্রি প্রথম প্রহর পর্য্যন্ত। নিয়ম : উক্ত সময় সংযম পালন। উপকরণ : হরিদ্রাবর্ণের তিন স...

জামাত ,মৌলবাদীদের হাতে লাগাতার খুন , এক কোটি বাংলা দেশী পশ্চিমবঙ্গে আসবে প্রস্তুত থাকুন :,শুভেন্দু অধিকারী

Image
অমল গুপ্ত , গুয়াহাটি ,কলকাতা : বাংলদেশে রংপুরে  একজন শিক্ষক সহ পত্নী কন্যা পুত্র খুন হলেন।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পুলিশ  সত্যকে লুকিয়ে  গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত    ১২ বছরের কন্যা আর মাকে ধর্ষণ করে হত্যা করার খবর পশ্চিমবঙ্গের "দালাল "সাংবাদিকদের  নজরে আসেনা। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারি  বাংলদেশে লাগাতার হত্যাকাণ্ড বিস্তারিত জানিয়ে বলেন বাংলাদেশের ভারত বিরোধী শক্তি জামাত  , মুসলিম মৌল বাদীরা  হিন্দুদের সব মেরে ফেলবে থাকতে দেবে না।মোদী সরকার  সি এ আইন কার্যকর করেছে বিগত মমতা সরকার এই আইন কার্যকর করেনি  এই আইন বিরোধিতার নামে একাংশ মুসলিম কে ক্ষেপিযে তুলে ব্যাপক হারে সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর করিয়ে ছিলেন।   বিদেশে অত্যাচারিত  ধর্মের বলি হিন্দু জনগোষ্ঠীর   নিরাপদ আশ্রয় ভারতে রাখার জন্যে আইন টি তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে বাংলাদেশের স্থায়ী নাগরিক হিন্দুদের পরিকল্পিত ভাবে  তারেক রহমান সরকার   পুলিশ ষড়যন্ত্র করছে।রং পুরের ঘটনা আবার প্রমাণ করে দিল। ভারতের কাছে ভিক্...

নেপালে মহাপ্রলয়,হ রপা বানে শতাধিক নিহত, ৭০০ পর্যটক নিখোঁজ

Image
অমল গুপ্ত ২৬ আগস্ট ,,গুয়াহাটি ,কলকাতা :  নেপালের ছয়টি জেলা বন্যার ফলে ডুবেছে। হরপা বান মেঘ ভাঙ্গা বৃষ্টি ভয়ঙ্কর সুনামি   একটা রাষ্ট্রকে বিধ্বস্থ করে দিয়েছে।৩০০ পর্যটক নিখোঁজ , ভয়ঙ্কর বন্যা  সব ডুবে গেছে। আমদের প্রধান মন্ত্রী  নেপালের প্রধানমন্ত্রী   বলেন শাহ সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলে  সব ধরনের সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন। খড়কুটোর মত সেতু গুলো  ভেসে গেছে।তিব্বত লাগোয়া অঞ্চল গুলি  বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।  বিশ্বের একমাত্র রাষ্ট্র নেপাল ৯০ শতাংশ বেশি হিন্দু জনগোষ্ঠীর বাস। হিন্দু রাষ্ট্রের দিকে এগোচ্ছে। এই ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয় বিহার উত্তর প্রেদেশ কে সতর্ক করা হয়েছে। তিব্বত থেকে উৎপত্তি হরপা বান ভয়ঙ্কর সুনামি , কাদার বন্যা   এখন দাবি করা হচ্ছে ৪০০ পর্যটক নিখোঁজ হয়েছে।তারমধ্যে ২৫০ জন ভারতীয়।নেপালে ত্রিশলি নদী  দুকূল ছাপিয়ে ব্যাপক বন্যা  বহু জনপদ ভেসে গেছে। খড়কুটোর মত সব ভেসে গেছে কৃত্রিম লেকের সৃষ্টি করেছে।  সঙ্গে সঙ্গে ভূমিকম্প  ফলে পাহাড়ে ফাটল সৃষ্টি হয়েছে। মাটির ১০ ফু...