নয়া ঠাহর ,প্রতিনিধি:কান্দি
মুর্শিদাবাদ জেলা ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট স্বাধীনতা লাভ করেনি তিনদিন বাদ স্বাধীনতা এসেছে।এই ঐতিহাসিক জলা মুর্শিদাবাদ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বন্দে মাতরম ভূমিষ্ঠ হয়েছে , জাতীয় সঙ্গীত রচিত হয়েছে । লিখেছেন সাংবাদিক জয়শ্রী বসু ,এই মুর্শিদাবাদ জেলা তে কর্ণ সুবর্ণ ভারতের রাজধানী স্থাপন করেছিলেন হিন্দু রাজা শশাঙ্ক হিউয়েন সাং পদচিহ্ন পড়েছিল তথ্য দিয়ে লিখেছেন কুণাল কান্তি সিংহ রায় , জাতীয় পর্যায়ে দিল্লী কেন্দ্রিক প্রচ্ছদ শিল্পী অরূপ গুপ্ত বিগত ,২২ বছর থেকে প্রচ্ছদ আঁকেছেন এবাও দুর্দান্ত প্রচ্ছদ এঁকেছেন। এবার নয়া ঠাহর দ্বিভাষিক ,বাংলা সঙ্গে অসমীয়া সংস্করণ প্রকাশ পেলো।অনুপমা ডেকা সম্পাদনা করেছেন। পুজো সংখ্যা তে অসমীয়া সংস্করণ এ কলম ধরেছেন বিশিষ্ট আইনজীবী হাফিজ রশিদ চৌধুরী ,সাংবাদিক অমল গুপ্ত , অসমের এন জি ও কিঞ্চিৎ অসম সীমান্ত পেরিয়ে বঙ্গ পা রেখেছে।মুর্শিদাবাদ চ্যাপ্টার সভাপতি অরবিন্দ সরকার নয়া ঠাহর উন্মোচন বিশেষ ভূমিকা গ্রহণ করেছেন। কান্দি সরস্বতী শিশু মন্দিরে মহালয়া পবিত্র তিথিতে সভাপতিত্ব করেন সাহিত্যিক বীরেশ্বর সরকার। সাংবাদিক অমমহ ল গুপ্তের সম্পাদনায় ২৩ তম বর্ষ লিখেছেন কবি শ্যামল সরকার , লিখেছেন সঞ্জয় কুমার মিশ্র হেমেন্দ্র নারায়ণ ঘোষ , স্নিগ্ধা চ্যাটার্জী , সবড়ি চৌধুরী , , কৌশিক বড়াল , প্রণব আচার্য্য , সুপ্রভাত বাগচী , পশ্চিমবঙ্গের রূপকার শ্যামা প্রসাদ মুখার্জী কে নিয়ে এক গুচ্ছের লেখা স্থান করে দেওয়া হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের জন্ম দিন ২০ জুন উদযাপন করা হবে। সম্পাদক অমল। গুপ্ত লিখেছেন আমরা কোনোদিন বাংলদেশে ছিলাম না। বিশ্বের ৫৭ টি দেশ মুসলিম রাষ্ট একটিও হিন্দু রাষ্ট্র নেই। ভারতীয় সংস্কৃতি সঙ্গে সুসম্পর্ক থাকা ভারতীয় মুসলিম দের নিয়ে ভারত গড়া হবে। বিশিষ্ট সাংবাদিক অতীন দাস মরিচ ঝাঁপি নিয়ে লিখে বাম দলের মুখোশ খুলে দিয়েছে। নয়া ঠাহর অসম জয় করে বাংলার রবীন্দ্রনাথের মাটি ছুঁয়েছে। সম্পাদক অমল গুপ্ত মোবাইল ব্যবহার নিয়ে সতর্ক বার্তা শুনিয়ে বলেন আমেরিকার বিজ্ঞানী মার্টিন কুপার মোবাইল আবিষ্কার করেছেন,তিনি বর্তমান বৃদ্ধ বয়সে বলেছেন এই যন্ত্রটি আবিষ্কার করে বিরাট ভুল করেছেন ।এখন ৮ থাকে ৮০ হাতে ২৪ ঘণ্টা মোবাইল অপ ব্যবহার হচ্ছে।যুব প্রজন্ম ধ্বংশ হয়ে যাচ্ছে।বিশ্ব বাসীর কাছে তিনি ক্ষমা চেয়েছেন। নয়া ঠাহর পুজো সংখ্যার ব্যেক পেজ বিজ্ঞাপন সাংবাদিক রাজীব চৌধুরী সৌজন্য , "মায়ের নামে গাছ লাগান সবুজ পৃথিবী গড়ুন।"
Comments
Post a Comment