অমল গুপ্ত , ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে : ভারতে মাথা পিছু গাছের সংখ্যা মাত্র ২৮ টি, বিশ্বে ৪২২ টি

ভারতে মাথাপিছু গাছের সংখ্যা মাত্র ২৮টি। বিশ্বজুড়ে যেখানে মাথাপিছু গাছের গড় সংখ্যা প্রায় ৪২২টি, সেই তুলনায় ভারতে এই সংখ্যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক ও বিশ্বের মধ্যে অন্যতম সর্বনিম্ন।

একটি পূর্ণবয়স্ক ও মাঝারি আকারের গাছ প্রতিদিন প্রায় ১.২ কিলোগ্রাম অক্সিজেন উৎপাদন করে। এই পরিমাণটি বছরে প্রায় ১১৮ কিলোগ্রাম  অক্সিজেনের সমান। তবে গাছের প্রজাতি, বয়স, আকার এবং আবহাওয়ার ওপর ভিত্তি করে এই পরিমাণের কম-বেশি হতে পারে।গাছের এই অক্সিজেন উৎপাদনকে যদি মানুষের চাহিদার সাথে তুলনা করা হয়, তবে বিষয়টি আরও সহজে বোঝা যাবে:

সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ভারতে মোট বনভূমির (Forest Cover) পরিমাণ ৭,১৫,৩৪৩ বর্গ কিলোমিটার, যা দেশের মোট ভৌগোলিক এলাকার ২১.৭৬ শতাংশ। তবে আপনি যদি বনভূমি এবং বৃক্ষ-আচ্ছাদিত এলাকা (Tree Cover) দুটিকে একসাথে হিসাব করেন, তাহলে এর মোট পরিমাণ দাঁড়ায় ৮,২৭,৩৫৭ বর্গ কিলোমিটার, যা ভারতের মোট ভৌগোলিক আয়তনের ২৫.১৭ শতাংশ।

২০২৬ সালের বিশ্ব পরিবেশ দিবসের মূল থিম বা প্রতিপাদ্য হলো: "প্রকৃতি দ্বারা অনুপ্রাণিত। জলবায়ুর জন্য। আমাদের ভবিষ্যতের জন্য।" বিগত তৃণমূল সরকার পশ্চিমবঙ্গের পাহাড় প্রকৃতিকে  ধ্বংশ করে দিয়েছে।একহাজার কিলোমিটার  নদীর সব বালি চুরি করা হয়েছে। অধিকাংশ সবুজ পাহাড়  কেটে পাথর সংগ্রহ করে ধ্বংশ করা হয়েছে। সব জঙ্গল  প্রায় ধ্বংশ ,পাহাড় প্রকৃতি অবশিষ্ট কিছু নেই। বাঙালি সারাজীবন  দেশ ঘুরে   শিক্ষা নেয় না।নিজের বাড়ির চারপাশে আবর্জনা ভরে থেকে । সর্বত্র প্লাস্টিক   আবর্জনা  দূষণ ,   টা পরিষ্কার না করেই ঘুরতে যাই।গাছ রোপণ করে না শুধুই কাটে। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী  পরিবেশ দিবস উপলক্ষে  মায়ের নামে একটি গাছ   রোপন এর পরামর্শ দিয়েছে।বছর ব্যাপী বৃক্ষ রোপন কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন।  ইরানের রামসার সাইট হিসাবে স্বীকৃত কলকাতার  জলাশয় বেদখল হয়ে গেছে।কলকাতা শহরে হাজার হাজার  বে আইনি বাড়ি বহাল তবিয়তে আছে।রাজ্যের অধিকাংশ পুকুর  ভরাট হয়ে গেছে।  সব জলাশয় ভরাট  হয়ে গেছে।।  রাজ্যের ব্যাপক  পরিবেশ ধ্বংশ মেরুদণ্ডহীন বাঙালি  এগিয়ে আছে। বিগত ৩০ বছর বর্তমান তুনমুল রাজ্যের ১৫ বছর  রাজ্যের অধিকাংশ জলা ভূমি   ভরাট করে কংক্রিট ভবন  নির্মাণ করা হয়েছে। সবুজ আর ফিরবে না।    কলকাতা  রাজ্যের অধিকাংশ শহর রাস্তাঘাট নর্দমা ডাস্টবিন প্লাস্টিক  আবর্জনা ভরে আছে।  দক্ষিণ ভারতের সঙ্গে উত্তর পূর্বের  যেকোন শহরের থেকে  কলকাতা  অবস্থা   চরম  দুরবস্থা ,  নতুন বিজেপি সরকার  পরিবর্তন  আনলেও   মেরুদণ্ডহীন বাঙালি  চরিত্র পাল্টাতে পারবে কি? আজ বিশ্ব পরিবেশ দিবসে মূখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নলবনে বৃক্ষ রোপন করেন। পুকুরে  মাছের   চারা ছেড়ে ছেন। সেই বৃক্ষ  বাঁচবে তো ? কারণ দেখা গেছে বৃক্ষ রোপণ হলেও গাছা গুলি বাঁচে না।যত্ন করা  হয়না। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী  আজ নলবন  বৃক্ষ রোপন করেন পুকুরে মাছের চারা ছাড়েন। বলেন তাদের লক্ষ  এক কোটি ১০ লাখ  গাছ লাগানো হবে।  তিনি অঙ্গীকার করেন পশ্চিমবঙ্গ  কে পরিষ্কার শহর হিসাবে গড়ে তোলা হবে।বলেন গাছের   পরিচর্যা দায়িত্ব  নিতে  হবে।

Comments